Home আন্তর্জাতিক এপস্টাইন কেলেঙ্কারি: মেলানিয়ার সাফাই, হোয়াইট হাউসে তোলপাড়

এপস্টাইন কেলেঙ্কারি: মেলানিয়ার সাফাই, হোয়াইট হাউসে তোলপাড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইন এবং তার সহযোগী গিসলেন ম্যাক্সওয়েলের সাথে কোনো ধরনের সম্পর্কের অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন। গত ৯ তারিখ হোয়াইট হাউস থেকে সরাসরি দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “লজ্জাজনক জেফরি এপস্টাইনের সাথে আমাকে জড়িয়ে যেসব মিথ্যা ছড়ানো হচ্ছে, তা আজই বন্ধ হওয়া উচিত।”
সম্প্রতি জানা যায়, ২০০২ সালে মেলানিয়া ম্যাক্সওয়েলকে একটি ইমেইল পাঠিয়েছিলেন। এছাড়া সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন দাবি করেছিলেন যে, এপস্টাইনই মেলানিয়াকে ট্রাম্পের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।
এসব দাবির প্রেক্ষিতে মেলানিয়া স্পষ্ট করেন যে, ম্যাক্সওয়েলকে পাঠানো ইমেইলটি ছিল নিতান্তই সাধারণ সৌজন্যমূলক যোগাযোগ।
তিনি আরও যোগ করেন, “আমি এপস্টাইনের কোনো ভুক্তভোগী নই এবং সে আমার সাথে ট্রাম্পের পরিচয় করিয়ে দেয়নি। ১৯৯৮ সালে নিউইয়র্ক সিটির একটি পার্টিতে আমার স্বামীর সাথে আমার আকস্মিক পরিচয় হয়েছিল।”
মেলানিয়া জোর দিয়ে বলেন যে, নিউইয়র্ক এবং ফ্লোরিডার পাম বিচে সামাজিক মহলে যাতায়াতের কারণে মাঝেমধ্যে তারা এপস্টাইনের উপস্থিত থাকা পার্টিতে আমন্ত্রিত হতেন। ২০০০ সালের আগে এপস্টাইনের সাথে তার কোনো সাক্ষাৎ হয়নি এবং তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কেও তিনি অবহিত ছিলেন না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ছবি ও তথ্যগুলোকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ দাবি করে তিনি জানান, এফবিআই-এর কোনো নথি বা আদালতের সাক্ষ্যে তার নাম আসেনি। তিনি বরং এপস্টাইনের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের জন্য জনশুনানির দাবি জানান।
মেলানিয়ার এই আকস্মিক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারাও বেশ অবাক হয়েছেন। এমনকি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও এই বিবৃতির বিষয়ে আগে থেকে কিছু জানতেন না বলে জানিয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যখন ইরান যুদ্ধ নিয়ে পুরো ওয়াশিংটন ব্যস্ত, তখন এই বিবৃতির মাধ্যমে মেলানিয়া ধামাচাপা পড়ে যাওয়া একটি বিতর্ককে পুনরায় রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এলেন।