সম্প্রতি ‘র্যাডিক্যাল স্টোরেজ’ (Radical Storage) ১৩,০০০-এর বেশি গুগল রিভিউ বিশ্লেষণ করে একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে দেখা গেছে, পর্যটকদের কাছে ‘ভালোবাসার শহর’ হিসেবে পরিচিত প্যারিস বর্তমানে চুরির ঝুঁকির দিক থেকেও শীর্ষে রয়েছে।
প্যারিসের মূল ঝুঁকিগুলো:
পরিসংখ্যান: মোট চুরি-সংক্রান্ত রিভিউয়ের ১৬.৫ শতাংশই প্যারিসের। পর্যটকদের দেওয়া রিভিউগুলোতে ‘পকেটমার’ শব্দটি প্রায় ২৯.৮ শতাংশ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়েছে।
হটস্পট: আইফেল টাওয়ার এবং মন্টমার্ত্রে (Montmartre) এলাকাগুলো পকেটমারদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু।
সাধারণ প্রতারণা (Scams): * ফ্রেন্ডশিপ ব্রেসলেট: জোর করে হাতে ব্রেসলেট পরিয়ে দিয়ে পরে টাকা দাবি করা।
ভুয়া চ্যারিটি: অস্তিত্বহীন সংস্থার নামে পিটিশন বা অনুদান সংগ্রহ করা।
আংটি হারানো (Dropped Ring): কেউ দাবি করবে আপনি একটি আংটি ফেলেছেন, যা ফিরিয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা চাওয়া হয়।
বিশ্বের শীর্ষ ১০টি পকেটমার প্রবণ শহর:
গবেষণা অনুযায়ী শহরগুলোর তালিকার শতাংশ নিচে দেওয়া হলো:
ক্রমিক
শহর ও দেশ
চুরির রিভিউয়ের হার
১
প্যারিস, ফ্রান্স
১৬.৫%
২
রোম, ইতালি
১০.৭%
৩
বার্সেলোনা, স্পেন
৫.৩%
৪
ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
৪.৪%
৫
অরল্যান্ডো, যুক্তরাষ্ট্র
৪.৩%
৫
ইস্তাম্বুল, তুরস্ক
৪.৩%
৭
নিউ ইয়র্ক সিটি, যুক্তরাষ্ট্র
৩.৫%
৮
মিলান, ইতালি
৩.০%
৯
লাস ভেগাস, যুক্তরাষ্ট্র
২.২%
১০
দিল্লি, ভারত
১.৯%
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
রোম: দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইতালির এই রাজধানীতে ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পকেটমারি ৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
অরল্যান্ডো: একে ‘ডাকাতির রাজধানী’ (Robbery Capital) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে, কারণ এখানকার চুরি-সংক্রান্ত রিভিউয়ের ১২.৫ শতাংশেই ‘লুট’ বা ‘Robbed’ শব্দটি ছিল।