আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
১. নবায়নযোগ্য শক্তির রেকর্ড: আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য শক্তি সংস্থা (IRENA) জানিয়েছে, ২০২৫ সাল শেষে বিশ্বের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার ৪৯% এখন নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসছে। এর মধ্যে সৌরশক্তি একাই ৫১০ গিগাওয়াট যুক্ত হয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে।
২. আর্কটিক অঞ্চলের কার্বন নিঃসরণ: একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, আর্কটিক অঞ্চলের পারমাফ্রস্ট গলনের ফলে হাজার বছরের পুরনো কার্বন বায়ুমণ্ডলে মিশছে। এতে আলাস্কার নদীগুলোর পানির গঠন পরিবর্তিত হচ্ছে এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন আরও ত্বরান্বিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
৩. ইতালির কয়লা নীতিতে পরিবর্তন: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের জেরে ইতালি তাদের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের সময়সীমা ২০২৫ থেকে পিছিয়ে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে।
৪. যুক্তরাষ্ট্রে এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সির বিরুদ্ধে মামলা: কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পারদ ও বিষাক্ত ভারী ধাতু নির্গমনের নিয়ম শিথিল করায় পরিবেশবাদী গোষ্ঠীগুলো মার্কিন EPA-র বিরুদ্ধে আদালতে গেছে।
৫. সমুদ্রের কার্বন চক্রে নতুন তথ্য: বিজ্ঞানীরা সমুদ্রের গভীরে এমন এক “রাসায়নিক মুদ্রা” বা উপাদানের সন্ধান পেয়েছেন যা সমুদ্রের কার্বন শোষণ ও চক্র প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে। এটি জলবায়ু পরিবর্তনের মডেলে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
৬. পারমাণবিক ও জীবাশ্ম জ্বালানিতে বিনিয়োগের বিতর্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন অফশোর উইন্ড প্রজেক্টগুলো বন্ধ করতে ডেভেলপারদের জীবাশ্ম জ্বালানিতে বিনিয়োগের বিনিময়ে অর্থ প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছে বলে সংবাদ পাওয়া গেছে।
৭. এশিয়া ও ইউরোপে জ্বালানি সাশ্রয়ী ব্যবস্থা: জ্বালানি সংকটের কারণে ইউরোপের দেশগুলো গ্রিড ট্যারিফ ও বিদ্যুৎ কর পরিবর্তনের কথা ভাবছে। অন্যদিকে ভারতে তীব্র তাপপ্রবাহের আশঙ্কায় বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
৮. মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ: সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, বনাঞ্চলেও এখন আকাশ থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিক ঝরে পড়ছে। বৃষ্টির মাধ্যমে এই ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণাগুলো গাছের পাতায় জমা হয়ে বাস্তুসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
৯. আমাজনের পতঙ্গ কূলের ঝুঁকি: জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আমাজন রেইনফরেস্টের প্রায় অর্ধেক পতঙ্গ মারাত্মক তাপীয় চাপের মুখে রয়েছে, যা বনটির প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।
১০. বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) জানিয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চ-মে সময়ে উত্তর গোলার্ধের অধিকাংশ স্থানে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা অনুভূত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও নানা বিষয় জানতে ভিজিট করুন: www.businesstoday24.com










