আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাংলাদেশে ১ লাখ মেট্রিক টন চাল সরবরাহের লক্ষ্যে ট্রেডিং কর্পোরেশন অফ পাকিস্তান (টিসিপি) যে আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান করেছিল, তাতে প্রতি টনের সর্বনিম্ন দর ৩৯৪.৯৫ ডলার প্রস্তাব করা হয়েছে বলে শুক্রবার ইউরোপীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, এই দরটি ‘সিআইএফ লাইনার আউট’ শর্তে দেওয়া হয়েছে। এই শর্তের অর্থ হলো, প্রস্তাবিত মূল্যের মধ্যেই চালের দাম, বীমা, বাংলাদেশের বন্দরে পণ্য পরিবহনের খরচ এবং বিক্রেতার পক্ষ থেকে পণ্য খালাসের খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
জানা গেছে, টেন্ডারে সর্বনিম্ন এই দরটি প্রস্তাব করেছে ‘ঝুলায় লাল’ নামের একটি কোম্পানি।
টিসিপি-র এই টেন্ডারে মোট ১১টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে। ব্যবসায়ীদের তথ্যমতে, সর্বনিম্ন দরদাতার পর বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রস্তাবিত মূল্য ছিল প্রতি টন ৩৯৭.২৫ ডলার থেকে ৪২৪.৮০ ডলারের মধ্যে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো কেনাকাটা চূড়ান্ত হয়নি এবং প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বাংলাদেশে চালের স্থানীয় বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে সরকার বেশ কিছু আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান করেছে। টিসিপি-র এই টেন্ডারটি মূলত লম্বা দানার সাদা চাল (long-grain white rice) সরবরাহের জন্য।
টেন্ডারের শর্ত অনুযায়ী, দর প্রস্তাবগুলো জমা দেওয়ার পর ২১ কার্যদিবস পর্যন্ত বৈধ থাকবে। এছাড়া কার্যাদেশ বা চুক্তি হওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে চালের চালান পাঠাতে হবে ।
ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এই টেন্ডারটি বাংলাদেশের আমদানি তালিকায় পাকিস্তানি চাল যুক্ত করার একটি প্রচেষ্টা। তবে বাজারের প্রত্যাশা হলো, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কিছু কেনাকাটায় ভারতীয় উৎস থেকেও চাল সরবরাহ করা হতে পারে।
লাইক দিন 👍, শেয়ার করুন 🔁, এবং মন্তব্যে জানান আপনার মতামত!










