Home আকাশ পথ সরাসরি আকাশপথে ঢাকা-করাচি: ২৯ জানুয়ারি থেকে উড়বে বিমান

সরাসরি আকাশপথে ঢাকা-করাচি: ২৯ জানুয়ারি থেকে উড়বে বিমান

  • যাত্রার তারিখ: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে শুরু হচ্ছে সরাসরি ফ্লাইট।
  • এয়ারলাইন্স: রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’।
  • সময়সূচি: সপ্তাহে প্রতি বৃহস্পতিবার এবং শনিবার ফ্লাইট পরিচালিত হবে।
  • সময় সাশ্রয়: ঢাকা থেকে করাচি যেতে ৪ ঘণ্টা লাগলেও ফিরতি পথে লাগবে মাত্র ৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট।
  • পরীক্ষামূলক মেয়াদ: আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত চলাচলের প্রাথমিক অনুমতি দিয়েছে ইসলামাবাদ।

বিজনেসটুডে২৪ প্রতিনিধি, ঢাকা: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রধান শহর ঢাকা ও করাচির মধ্যে পুনরায় সরাসরি আকাশপথ উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে এই রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বুধবার এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিমান কর্তৃপক্ষ এই রুটের বিস্তারিত সময়সূচি ও পরিকল্পনা প্রকাশ করে।

সরকারের উচ্চপর্যায়ে দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আলোচনার পর এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়ন হতে চলেছে।

সময়সূচির বৈচিত্র্য: প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, সপ্তাহে প্রতি বৃহস্পতিবার ও শনিবার এই রুটে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালিত হবে। রুটের সময়সূচি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা থেকে করাচি যাওয়ার চেয়ে ফেরার পথে সময় লাগবে অনেক কম। ঢাকা থেকে স্থানীয় সময় রাত ৮টায় যাত্রা করে বিমানটি করাচি পৌঁছাবে পাকিস্তান সময় রাত ১১টায়। ফিরতি পথে করাচি থেকে রাত ১২টায় রওনা দিয়ে ঢাকায় পৌঁছাবে ভোর ৪টে ২০ মিনিটে। অর্থাৎ, বাতাসের গতিবেগ ও রুট ডাইনামিকসের কারণে ফেরার পথে যাত্রীদের ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে।

বাণিজ্যিক ও সামাজিক গুরুত্ব: সরাসরি এই উড্ডয়ন চালু হওয়ার ফলে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটনে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যারা বর্তমানে তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে করাচি যাতায়াত করেন, তাদের অর্থ ও সময়—উভয়ই উল্লেখযোগ্যভাবে সাশ্রয় হবে। এটি পারিবারিক যাতায়াতের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের স্বস্তি নিয়ে আসবে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: আপাতত এই রুটটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হচ্ছে। পাকিস্তান সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ (ইসলামাবাদ) আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত ফ্লাইট চালানোর অনুমতি প্রদান করেছে। এই তিন মাসের বাণিজ্যিক কার্যকারিতা এবং যাত্রীদের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

যদি ফলাফল ইতিবাচক হয়, তবে ৩০ মার্চের পর এই রুটটিকে স্থায়ী করা হবে এবং ভবিষ্যতে ফ্লাইটের সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের।