Home আন্তর্জাতিক মিয়ানমার: জান্তা বাহিনীর ৩৬ সদস্য নিহত, বিপুল অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার

মিয়ানমার: জান্তা বাহিনীর ৩৬ সদস্য নিহত, বিপুল অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মিয়ানমারের চিন রাজ্যের ফাঁলাম টাউনশিপে জান্তা বাহিনীর একটি বড় কলামের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে চিন ন্যাশনাল আর্মি (CNA) এবং চিন বিপ্লবী যৌথ বাহিনী। এই লড়াইয়ে জান্তা বাহিনীর একজন মেজরসহ ৩৬ জন সৈন্য নিহত হয়েছে। এছাড়া ৩৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ জব্দ করা হয়েছে।
বিপ্লবী বাহিনীর সূত্রমতে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি থাইং এনগিন এবং ফাঁলামের মাঝামাঝি জাউং লে গ্রামের কাছে জান্তা শিবিরের ওপর এই আক্রমণ চালানো হয়। ওই শিবিরে গত ২০ জানুয়ারি সাগাইং অঞ্চলের কালে থেকে প্রায় ৩০০ সেনার একটি নতুন দল এসে যোগ দিয়েছিল।
অপারেশনের বিস্তারিত:
  • নিহত ও আহত: ৩৬ জন নিহত হওয়া ছাড়াও অন্তত ২০ জন জান্তা সৈন্য আহত হয়েছে।
  • অস্ত্র উদ্ধার: ৩৩টি রাইফেল এবং ৫,০০০ রাউন্ডেরও বেশি গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
  • বিপ্লবী বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি: চিন প্রতিরোধ বাহিনীর কোনো সদস্য নিহত হননি, তবে ৪ জন যোদ্ধা আহত হয়েছেন।
সিএনএ-এর মুখপাত্র সালাই হতেত নি জানান, চিন বাহিনী সফলভাবে ক্যাম্পটি দখল করে মরদেহ এবং গোলাবারুদ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। তবে ড্রোনের নজরদারি এবং বিমান হামলার ঝুঁকি থাকায় অভিযান শেষে তারা কৌশলগতভাবে সেখান থেকে পিছু হটে।
 ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকেই ফাঁলাম শহরটি চিন প্রতিরোধ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জান্তা বাহিনী কালে-থাইং এনগিন এবং কালে-ওয়েইবুলা রুট দিয়ে প্রায় ১,০০০ সৈন্য পাঠিয়ে শহরটি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। বর্তমানে জান্তা বাহিনী তিনটি কলামে বিভক্ত হয়ে নতুন করে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছে।
বিপ্লবী সামরিক সূত্রের দাবি, জান্তা বাহিনী ফাঁলামকে একটি ‘স্টেপিং স্টোন’ বা ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে হারানো অঞ্চলগুলো ফিরে পেতে চাইছে। বর্তমানে চিন রাজ্যের ৯টি টাউনশিপের মধ্যে মাত্র দুটি (তেদিম ও হাখা) জান্তা সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, বাকি ৭টিই এখন স্বাধীনতাকামী বাহিনীর দখলে