এ সময় গাড়িতে থাকা এ্যানির ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি বদরুল ইসলাম শ্যামলসহ তিনজনকে আটক করা হলেও পরবর্তীতে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা তল্লাশির অংশ হিসেবে ঝুমুর এলাকায় চেকপোস্ট বসায় পুলিশ। সন্দেহভাজন একটি গাড়ি তল্লাশি করে ১৫ লাখ টাকা পাওয়া যায়। আটক ব্যক্তিদের তাৎক্ষণিক জেলা জজ আদালতে হাজির করা হলে নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সদস্য এবং জেলা জজ আদালতের বিচারক তাহরিনা আক্তার নওরিন ঘটনার প্রেক্ষিতে আধা ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নির্দেশ দেন।
বিএনপি প্রার্থীর বক্তব্য: ঘটনার পর এক ভিডিও বার্তায় শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানান, টাকাগুলো নির্বাচনী ব্যয়ের অংশ ছিল। তিনি বলেন:
“আমার নির্বাচনী এজেন্ট বিভিন্ন কেন্দ্রে খরচের টাকা নিয়ে যাচ্ছিলেন। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী আমাদের ব্যয়ের যে সীমা, তার মধ্যেই এই ১৫ লাখ টাকা ছিল। কর্তৃপক্ষ যাচাই করে তাদের ছেড়ে দিয়েছে। এ নিয়ে বিভ্রান্তির সুযোগ নেই।”










