এভিয়েশন ডেস্ক:
ইসলামাবাদ: চরম অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর বেসরকারীকরণ প্রক্রিয়া জোরদার করেছে পাকিস্তান সরকার। সম্প্রতি পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স (PIA)-এর মালিকানা হস্তান্তরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর এবার দেশটির অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বেসরকারীকরণ কমিশন (Privatisation Commission) এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (ADB) সঙ্গে আলোচনার জন্য একটি শক্তিশালী ‘নেগোসিয়েশন কমিটি’ গঠন করেছে। এই কমিটি এডিবির সঙ্গে প্রস্তাবিত ‘আর্থিক উপদেষ্টা পরিষেবা চুক্তি’ (FASA)-এর শর্তাবলী চূড়ান্ত করবে।
কার্যক্রমের মূল বৈশিষ্ট্য:
কনসেশন মডেল: বিমানবন্দরটি সরাসরি বিক্রি না করে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদে পরিচালনার দায়িত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে দেওয়া হবে।
উন্মুক্ত দরপত্র: সরকার জানিয়েছে, কোনো গোপন সমঝোতা নয় বরং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যোগ্য অংশীদার নির্বাচন করা হবে।
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ: স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক উভয় ধরনের বিনিয়োগকারীদের জন্য এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ উন্মুক্ত থাকবে।
কেন এই সিদ্ধান্ত?
পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স (PIA)-এর প্রায় ৭৫ শতাংশ শেয়ার ইতিমধ্যে একটি কনসোর্টিয়ামের কাছে বিক্রির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। পিআইএ-এর পর বিমানবন্দরের মতো বড় স্থাপনা বেসরকারি খাতে দেওয়ার মূল লক্ষ্য হলো:
- পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি ও যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন।
- সরকারের ভর্তুকির বোঝা কমানো।
- বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা।










