ষষ্ঠ পর্ব: অন্ধকার জগতের নেপথ্যে
মাহবুব হাসান
২০১৯ সালের জুলাই মাসে নিউ জার্সির টেটারবোরো বিমানবন্দরে অবতরণের পর জেফরি এপস্টাইনকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আইনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে চললেও এবার তার পতন ছিল অনিবার্য। কিন্তু গল্পের আসল নাটকীয়তা শুরু হয় যখন তিনি কারাগারের ভেতরে ছিলেন।
১. নতুন করে শুরু হওয়া আইনি লড়াই নিউ ইয়র্কের ফেডারেল প্রসিকিউটররা এবার এপস্টাইনের বিরুদ্ধে যৌন পাচারের নতুন এবং শক্তিশালী অভিযোগ আনেন। ২০০৮ সালের সেই বিতর্কিত মুক্তি এবার আর তাকে বাঁচাতে পারেনি। তার বিলাসবহুল ম্যানশনে তল্লাশি চালিয়ে পাওয়া যায় শত শত আপত্তিকর ছবি এবং হার্ড ড্রাইভ, যা তাকে খাদের কিনারে ঠেলে দেয়।
২. জেলখানায় সেই রহস্যময় রাত ১০ আগস্ট, ২০১৯। নিউ ইয়র্কের মেট্রোপলিটন কারেকশনাল সেন্টারে (MCC) উচ্চ নিরাপত্তা বেষ্টিত সেলে এপস্টাইনের নিথর দেহ পাওয়া যায়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে একে ‘আত্মহত্যা’ বলা হলেও বিশ্বজুড়ে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক। কারণ সেই সময় তাকে স্পেশাল ওয়াচে (Suicide Watch) রাখার কথা থাকলেও তা করা হয়নি।
৩. ক্যামেরা বিভ্রাট ও প্রহরীদের ঘুম তদন্তে বেরিয়ে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য: এপস্টাইনের সেলের বাইরের সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো সেই সময় কাজ করছিল না। অধিকন্তু, তাকে পাহারায় থাকা দুজন প্রহরী সেই রাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন এবং পরে ভুয়া রেকর্ড তৈরি করেছিলেন। এই কাকতালীয় ঘটনাগুলো কি শুধুই অবহেলা, নাকি পরিকল্পিত?
৪. ‘Epstein Didn’t Kill Himself’ এপস্টাইনের মৃত্যুর পর ইন্টারনেটে এই ফ্রেজটি ভাইরাল হয়ে যায়। কোটি মানুষের বিশ্বাস ছিল—ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের গোপন রহস্য যাতে ফাঁস না হয়, সেজন্যই তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি যদি বিচার পর্যন্ত বেঁচে থাকতেন, তবে বিশ্বের বহু শীর্ষ ব্যক্তিত্বের পতন নিশ্চিত ছিল।
পরবর্তী আপডেটের জন্য businesstoday24.com ফলো করুন এবং আপনার মন্তব্য জানান। 💬
#EpsteinDeath #Mystery #Investigation #ConspiracyTheory #HighProfileCrime #BusinessToday24 #JeffreyEpstein #TheEpsteinFiles










