থাইল্যান্ডের সোংখলা প্রদেশের চানা জেলায় এক সমুদ্রতীরবর্তী রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি ও একজন মিয়ানমার নাগরিকসহ মোট ২২ জনকে আটক করেছে দেশটির পুলিশ। বুধবার বিকেলে সোংখলা ইমিগ্রেশন ও পর্যটন পুলিশের এক যৌথ অভিযানে তাদের উদ্ধার করা হয়।
না থাব এলাকার একটি বন্ধ রিসোর্টে অভিযান চালিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, পরিত্যক্ত একটি ভবনের ভেতর ত্রিপল দিয়ে ঢাকা সরু পথে গাদাগাদি করে বসে আছেন এই বিদেশি নাগরিকরা।
আটককৃতদের মধ্যে ২১ জন বাংলাদেশি পুরুষ এবং একজন মিয়ানমারের নারী রয়েছেন, যাদের বয়স ২০ থেকে ৪৬ বছরের মধ্যে। তারা পুলিশকে জানিয়েছেন, মালয়েশিয়া পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে দালালদের মাথাপিছু প্রায় ৭ লাখ টাকা দিয়েছেন তারা। বাংলাদেশ থেকে বিমানে কম্বোডিয়া যাওয়ার পর গত ৪ এপ্রিল সীমান্ত দিয়ে পায়ে হেঁটে থাইল্যান্ডে প্রবেশ করেন তারা। পরে কয়েক দফায় তাদের এই রিসোর্টে এনে জড়ো করা হয়।
অভিযানে রিসোর্টের মালিক কৃতিদেতকে (৬৬) আটক করা হয়েছে। তিনি সোংখলা প্রদেশের সাবেক একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা। তিনি সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করলেও তার খাটের নিচ থেকে অভিবাসীদের লুকিয়ে রাখা ১৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আটককৃতদের খুয়ান মিদ পুলিশ স্টেশনে রাখা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে মামলা করা হয়েছে। অন্যদিকে, রিসোর্ট মালিকের বিরুদ্ধে অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় ও সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।