বিজনেসটুডে২৪ প্রতিনিধি, সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ১১ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাকে নিজ নিজ এলাকায় সাংগঠনিক ও নির্বাচনি কাজে নামার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এর মধ্যে শুধুমাত্র সুনামগঞ্জ-৩ আসনে এককভাবে কাজের অনুমতি পেয়েছেন একজন।
রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন দলের মহাসচিব ও সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির স্বাক্ষর ক্ষমতাপ্রাপ্ত যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আব্দুল হক।
সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ-ধর্মপাশা-তাহিরপুর-মধ্যনগর)
এ আসনে মাঠে কাজ করার নির্দেশ পেয়েছেন তিনজন—
- প্রয়াত সংসদ সদস্য নজির হোসেনের স্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সালমা নজির,
- জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আনিসুল হক,
- সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল।
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা)
এ আসনে নির্বাচনি কার্যক্রম চালাতে পারবেন—
সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নাছির উদ্দিন চৌধুরী,
জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা তাহির রায়হান চৌধুরী পাভেল।
সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ)
এ আসনে একাধিক প্রার্থী আগ্রহী থাকলেও, এককভাবে মাঠে কাজের অনুমতি পেয়েছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ।
সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভরপুর)
এ আসনে কাজ করবেন তিনজন—
- সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন,
- জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল,
- জেলা বারের সভাপতি ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল হক।
- সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারা বাজার)
- এ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী দুই নেতা মাঠে কাজের নির্দেশ পেয়েছেন—
- কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন,
- কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী।
জানা গেছে, এদিনের বৈঠককে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অপেক্ষার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। কারণ, সুনামগঞ্জের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সবাইকে এ বৈঠকে ডাকা হয়নি। তবে ডাকা না পাওয়া বেশ কয়েকজন নেতা ব্যক্তিগতভাবে ঢাকায় গিয়ে দলের মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বলে জানা গেছে।
অ্যাডভোকেট আব্দুল হক জানান, “পর্যায়ক্রমে সবাইকে ডাকা হবে। কাউকে বাদ দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি, কারো বিরুদ্ধে অপপ্রচার বা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়া থেকে যেন সবাই বিরত থাকেন—এ বিষয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।”










