গত সাত বছরের মধ্যে থাইল্যান্ডে স্বর্ণের এই চাহিদা সর্বোচ্চ, যার বাজারমূল্য প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। ২০২৪ সালে ভিয়েতনাম এই অঞ্চলের বৃহত্তম বাজার থাকলেও, বর্তমানে থাইল্যান্ড তাদের ছাড়িয়ে গেছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রধান পাঁচটি বাজারে স্বর্ণের বার ও মুদ্রার সম্মিলিত চাহিদা গত বছর ১৫% বৃদ্ধি পেয়ে ১৩৯ টনে দাঁড়িয়েছে, যা গত নয় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
অন্যান্য দেশের অবস্থান
ভিয়েতনাম: ৩৬.১ টন স্বর্ণ ক্রয় করে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও, দেশটির বিক্রয় গত বছরের তুলনায় ১৪% হ্রাস পেয়েছে। মূলত সরবরাহের ঘাটতি এবং দেশীয় বাজারে উচ্চমূল্যের কারণে টানা ছয় প্রান্তিক ধরে সেখানে স্বর্ণের লেনদেন সংকুচিত হচ্ছে। ভিয়েতনামে গত বছর বুলিয়ন গোল্ডের দাম ৮১% বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইন্দোনেশিয়া: ৩১.৬ টন স্বর্ণ বিক্রির মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটিতে চাহিদা বেড়েছে ২৯%, যা গত ১২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
মালয়েশিয়া: ১০.৩ টন চাহিদার মাধ্যমে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে দেশটি। এখানে চাহিদা বৃদ্ধির হার ৩৭%।
সিঙ্গাপুর: আঞ্চলিকভাবে সিঙ্গাপুরে প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি (৪৮%)। ৯.৬ টন স্বর্ণ বিক্রির মাধ্যমে দেশটি নিজস্ব রেকর্ড ভেঙেছে।
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট
বিশ্বজুড়ে স্বর্ণের বার ও মুদ্রার মোট চাহিদা ছিল ১,৩৭৪ টন, যার বাজারমূল্য প্রায় ১৫৪ বিলিয়ন ডলার। বৈশ্বিক বাজারে চীন ও ভারত এখনও শীর্ষ দুই বাজার হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে। ২০২৫ সালে চীনের চাহিদা বেড়েছে ২৮% এবং ভারতের চাহিদা বেড়েছে ১৭%। বিশ্বের মোট চাহিদার অর্ধেকেরও বেশি আসে এই দুই দেশ থেকে।