স্মার্ট অর্থনীতি ও সমৃদ্ধ আগামীর পথে বাংলাদেশ
কামরুল ইসলাম
নতুন ভোরের সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে সূচিত হলো ২০২৬ সাল। ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে বিশ্বজুড়ে যখন নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া হচ্ছে, তখন বাংলাদেশের ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক অঙ্গনেও বইছে ইতিবাচক পরিবর্তনের হাওয়া।
২০২৫ সালের স্থিতিশীলতা আর সাফল্যের পথ ধরে ২০২৬ সালে এক স্মার্ট ও স্বনির্ভর অর্থনীতির লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করছে দেশ।
২০২৫ সালে বিশ্ব অর্থনীতির নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বাংলাদেশ তার প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রেখেছে। ২০২৬ সালে সেই ধারাকে আরও বেগবান করতে সরকার ও বেসরকারি খাত যৌথভাবে কাজ করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ বছরই দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো ও শিল্প খাতে অভাবনীয় বিপ্লব ঘটবে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো।
২০২৬ সালের শুরুতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং টেকনোলজি সেক্টর।
রপ্তানি বাজারে বৈচিত্র্য আনতে তৈরি পোশাক শিল্পের পাশাপাশি ওষুধ শিল্প ও চামড়াজাত পণ্যের নতুন নতুন বাজার সৃষ্টি এ বছরের অন্যতম লক্ষ্য।
দেশের তরুণ স্টার্টআপগুলোর জন্য ২০২৬ সাল হতে যাচ্ছে একটি মাইলফলক। সরকারের বিশেষ প্রণোদনা এবং সহজ শর্তে ঋণের সুবিধার ফলে এ বছর কয়েক হাজার নতুন উদ্যোক্তা দেশের মূল অর্থনীতিতে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের জিডিপিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নতুন বছরের এই মাহেন্দ্রক্ষণে ‘বিজনেসটুডে২৪’ তার পাঠকদের প্রতি জানাচ্ছে আন্তরিক শুভেচ্ছা। বস্তুনিষ্ঠ তথ্য, গভীর বিশ্লেষণ এবং সময়োপযোগী অর্থনৈতিক সংবাদ পৌঁছে দিতে আমরা বরাবরের মতোই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
২০২৬ সালের প্রতিটি পদক্ষেপে আমরা থাকব আপনাদের সাথে, তুলে ধরব অগ্রগতির আসল চিত্র।
নতুন বছর সবার জন্য বয়ে আনুক সমৃদ্ধি, স্থিতিশীলতা এবং অফুরন্ত সম্ভাবনা। শুভ নববর্ষ ২০২৬!










