এভিয়েশন ডেস্ক: এয়ার ইন্ডিয়ার এক সহকারী পাইলটের ব্যাগ থেকে গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় বিমান চলাচল মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। গত ১৪ এপ্রিল আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকো বিমানবন্দরে রুটিন তল্লাশির সময় এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত পাইলটকে তৎক্ষণাৎ আমেরিকা থেকে বহিষ্কার করে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, ওই পাইলট দিল্লি থেকে সান ফ্রান্সিসকোগামী একটি ফ্লাইটের যাত্রীবাহী কেবিনে অবস্থান করছিলেন। বিমান চালনার পরিভাষায় একে ‘পজিশনিং’ বলা হয়। অর্থাৎ, তাঁর দায়িত্ব ছিল সান ফ্রান্সিসকো থেকে বিমানটি চালিয়ে পুনরায় দিল্লিতে নিয়ে আসা। ডিউটিরত অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাগ থেকে মাদক উদ্ধার হওয়ায় পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর হয়ে দাঁড়ায়। মার্কিন শুল্ক ও সীমান্ত সুরক্ষা কর্মকর্তারা তল্লাশির সময় তাঁর ব্যাগে গাঁজা খুঁজে পান।
এয়ার ইন্ডিয়া ও ডিজিসিএ-র পদক্ষেপ
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে। অভিযুক্ত পাইলটকে পরবর্তী ফ্লাইট পরিচালনার জন্য ‘অযোগ্য’ ঘোষণা করা হয় এবং পরের বিমানেই তাঁকে দিল্লিতে ফেরত পাঠানো হয়। ভারতের বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ-কেও (DGCA) বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, তারা নিরাপত্তা ও নিয়মের প্রশ্নে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে। এই অপেশাদার আচরণের জন্য অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংস্থার ভাবমূর্তি বজায় রাখাই এখন এয়ার ইন্ডিয়ার প্রধান লক্ষ্য। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতীয় বিমান কর্মীদের পেশাদারিত্বের ওপর এক বড় প্রশ্নচিহ্ন দাঁড় করিয়ে দিল।