বিজনেসটুডে২৪ প্রতিনিধি, ঢাকা: তরুণ প্রজন্মের মেধা ও সাহসের এক অনন্য স্বীকৃতি মিলল আজ তেজগাঁও কার্যালয়ে। কলেজ শিক্ষার্থী রিজওয়ান রশীদের নিজ হাতে তৈরি গো-কার্ট বা রেসিং কারটি শুধু যান্ত্রিক উৎকর্ষের উদাহরণ নয়, বরং এটি বাংলাদেশের তরুণদের অদম্য ইচ্ছাশক্তির এক মূর্ত প্রতীক।
শনিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন নিজেই সেই কারটির স্টিয়ারিং ধরলেন, তখন তা কেবল একটি পরিদর্শনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং এটি ছিল উদ্ভাবনী বাংলাদেশের এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি।
প্রধানমন্ত্রীর এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং তরুণ উদ্ভাবকের পাশে দাঁড়িয়ে গাড়ি চালানো আমাদের জাতীয় নেতৃত্বে এক ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত ব্যক্ত করছেন, রিজওয়ানের তৈরি গো-কার্টটি সেই লক্ষ্যেরই এক ক্ষুদ্র সংস্করণ।
একজন রাষ্ট্রপ্রধান যখন কোনো তরুণের সাধারণ এক উদ্ভাবনকে এভাবে গুরুত্ব দেন এবং নিজে চালিয়ে সেটির কার্যকারিতা পরীক্ষা করেন, তখন তা সারা দেশের লাখো তরুণকে বড় স্বপ্ন দেখার সাহস যোগায়। এটি স্পষ্ট করে দেয় যে, বর্তমান সরকার কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং মেধাবী প্রজন্মের মননশীলতাকে গুরুত্ব দিতে জানে।
বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিতে দেখলে, প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ তরুণ সমাজের জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা। তিনি যখন রিজওয়ানের প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়ে তরুণদের সৃজনশীল কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান, তখন তা কোনো প্রথাগত নির্দেশনার বাইরে গিয়ে অনুপ্রেরণার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে দেশীয় মেধার মূল্যায়নই পারে বাংলাদেশকে একটি প্রযুক্তি রপ্তানিকারক রাষ্ট্রে পরিণত করতে। প্রধানমন্ত্রীর আজকের এই প্রশংসা ও উৎসাহ কেবল রিজওয়ানকে নয়, বরং দেশের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে থাকা অগণিত মেধাবী উদ্ভাবককে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার নিশ্চয়তা দিয়েছে।
পরিশেষে বলা যায়, তেজগাঁও কার্যালয় প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রীর এই পদচারণা প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্র এখন উদ্ভাবনের পাশে। প্রযুক্তিনির্ভর যে বাংলাদেশের প্রত্যাশা আমরা করছি, তার নেতৃত্ব দেবে এই তরুণরাই—যাদের পেছনে ছায়া হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। এটি নিঃসন্দেহে আমাদের দেশের প্রযুক্তি ও অটোমোবাইল সেক্টরে নতুন প্রাণের সঞ্চার করবে।
businesstoday24.com ফলো করুন এবং আপনার মূল্যবান মন্তব্য জানান।