জাবেল আলীর এই রূপান্তরের সাক্ষী ষাটোর্ধ্ব প্রবীণ আমিরাতি নাগরিক ও সাবেক বন্দর কর্মকর্তা সালেহ আল-মাররি। শুরুর দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ১৯৭০-এর দশকে যখন এই বন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়, তখন এখানে বালুঝড় আর নোনা জলের বাতাস ছাড়া কিছুই ছিল না। স্থানীয় অনেকেই তখন ভেবেছিলেন মরুভূমির মাঝে এত বড় বন্দর তৈরি করে হয়তো কোনো সুফল পাওয়া যাবে না। কিন্তু কয়েক দশকের ব্যবধানে ডিপি ওয়ার্ল্ড যে আধুনিক প্রযুক্তি ও স্বয়ংক্রিয় টার্মিনাল এখানে গড়ে তুলেছে, তা আজ গোটা আরব বিশ্বের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করেছে। আমাদের চোখের সামনে একটি শান্ত উপকূল বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত বাণিজ্য রুটে পরিণত হয়েছে।