১০৮ জন বলীর এই মহাযুদ্ধে বাঘা শরীফের শক্তিমত্তা ও কৌশলের কাছে শেষ পর্যন্ত হার মানতে হয় শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী রাশেদকে। বিজয়ী বাঘা শরীফের হাতে তুলে দেওয়া হয় ৩০ হাজার টাকার প্রাইজমানি এবং রানার-আপ রাশেদ পান ২০ হাজার টাকা।
হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে গগনবিদারী করতালিতে মুখরিত লালদীঘি যেন ফিরে গিয়েছিল তার শতবর্ষী ইতিহাসে।
মেয়র তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, এই বলীখেলা কেবল একটি সাধারণ প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি চট্টগ্রামের আত্মপরিচয় এবং ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের এক অবিনশ্বর প্রতীক। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, যিনি এই সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
বাংলালিংকের ক্লাস্টার ডেপুটি ডিরেক্টর সৈয়দ হোসেন চৌধুরী বলেন, বাংলালিংক কেবল একটি নেটওয়ার্ক নয়, বরং কমিউনিটির অংশ হয়ে ইতিহাস ও ডিজিটাল ভবিষ্যতের সেতুবন্ধন তৈরিতে কাজ করছে। বিশেষ চমক হিসেবে এবারই প্রথম সারা দেশের মানুষ ‘টফি’ অ্যাপের মাধ্যমে এই ঐতিহ্যবাহী খেলা সরাসরি উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছেন।
১৯০৯ সালে আবদুল জব্বার সওদাগর যে স্বপ্নের বীজ বপন করেছিলেন, ১১৭তম আসর শেষে তা আজ এক মহীরুহে পরিণত হয়েছে। বন্দরনগরীর রাজপথ থেকে শুরু করে ডিজিটাল পর্দা—সবখানেই এখন বাঘা শরীফের বীরত্বের গল্প। এই বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো, আধুনিকতার জোয়ারে গা ভাসালেও চট্টগ্রামের মানুষ তাদের শিকড়কে ভুলে যায়নি।