মাহবুব হাসান, চট্টগ্রাম: পহেলা বৈশাখ আমাদের বাঙালির হৃদয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তপ্ত রোদে ঘাম ঝরানো দুপুরে কিংবা কালবৈশাখীর ঝোড়ো হাওয়ায় যে নতুনের আহ্বান আসে, তা আমাদের শিকড়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। বাংলা নববর্ষ মানেই জরাজীর্ণ সব পুরোনোকে ঝেড়ে ফেলে নতুন করে পথ চলার শপথ।
অতীতের সব গ্লানি, ব্যর্থতা আর মলিনতাকে পেছনে ফেলে আজ আমরা এক নতুন প্রভাতের মুখোমুখি। আজকের এই শুভ ক্ষণে আমাদের প্রার্থনা হোক—হিংসা ও বিভেদ ভুলে গিয়ে এক ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার।
বাংলার মাঠ-ঘাট, প্রান্তর আর শহরের অলিগলি আজ সেজেছে নতুনের সাজে। বৈশাখী মেলা, পান্তা-ইলিশ আর হালখাতার ঐতিহ্যে রঙিন হয়ে উঠেছে জনপদ। তবে এই উদযাপনের মূল সুর হওয়া উচিত কেবল আনন্দ নয়, বরং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি। গত বছরের সকল প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সংকল্প নেওয়ার এখনই সময়। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে দেশের প্রতিটি মানুষের ঘরে সুখের বার্তা পৌঁছে দিতে।
নতুন বছরের এই আলোয় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি প্রাণ। অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটে সারা বছর জুড়ে বজায় থাকুক শান্তি আর সম্প্রীতি। দেশ ও জাতির এই অবিরাম পথচলায় প্রতিটি পদক্ষেপে আসুক সাফল্য। ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের এই নতুন সূর্যোদয় বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ আর সমৃদ্ধি। সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা।