বিজনেসটুডে২৪ প্রতিনিধি, ঢাকা:
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, টিকা গ্রহণের আগে হজযাত্রীদের অবশ্যই নির্দিষ্ট কিছু স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। এই পরীক্ষার রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই কেবল টিকা নেওয়া যাবে।
গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা
পরীক্ষা সম্পন্ন করার শেষ তারিখ: ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬।
সম্ভাব্য হজের তারিখ: ২৬ মে, ২০২৬ (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে)।
প্রয়োজনীয় সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষাসমূহ (সবার জন্য)
টিকা নেওয়ার আগে প্রতিটি হজযাত্রীকে নিচের ১১ ধরনের পরীক্ষা করাতে হবে:
ইউরিন আর/এম/ই (Urine R/M/E)
র্যান্ডম ব্লাড সুগার (RBS)
এক্স-রে (Chest X-ray)
ইসিজি (ECG)
সিরাম ক্রিয়েটিনিন (Serum Creatinine)
সিবিসি উইথ ইএসআর (CBC with ESR)
ব্লাড গ্রুপিং ও আরএইচ টাইপিং (Blood Grouping & Rh Typing)
জটিল রোগীদের জন্য অতিরিক্ত পরীক্ষা
কারো যদি আগে থেকে কোনো দীর্ঘস্থায়ী বা জটিল রোগ থাকে, তবে তাদের রোগের ধরন অনুযায়ী বাড়তি পরীক্ষা করতে হবে:
হৃদরোগ: ইকোকার্ডিওগ্রাফি।
কিডনি সমস্যা: সিরাম ক্রিয়েটিনিন এবং ইউএসজি অব কিইউবি (USG of KUB)।
লিভার সিরোসিস: ইউএসজি হোল অ্যাবডোমেন ও আপার জিআইটি এন্ডোস্কপি।
ফুসফুসের রোগ: স্পুটাম ফর এএফবি, সিটি স্ক্যান অব চেস্ট, সিরাম বিলিরুবিন, এসজিপিটি ও অ্যালবুমিনুগ্লোবিউলিন রেশিও।
পরবর্তী ধাপ ও করণীয়
টিকা কেন্দ্র: স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট এবং ‘ই-হেলথ প্রোফাইল’-এর কপি নিয়ে নির্ধারিত টিকাকেন্দ্রে যেতে হবে।
সনদ সংগ্রহ: টিকা নেওয়ার পর মেডিকেল টিম হজযাত্রীদের একটি স্বাস্থ্য সনদ প্রদান করবে, যা হজের জন্য অপরিহার্য।
সহযোগিতা: যে কোনো তথ্যের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কল সেন্টার ১৬১৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।
এ বছর বাংলাদেশ থেকে প্রাথমিক নিবন্ধিত প্রায় ৭৮,৫০০ জন হজ পালনের সুযোগ পাবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা শেষ না করলে টিকা পাওয়া যাবে না, যা আপনার হজ যাত্রাকে অনিশ্চিত করে তুলতে পারে।










