রাবণপুত্র কুম্ভকর্ণ ছিলেন অসীম শক্তিশালী এক বীর। তার বিশাল শরীরের ক্ষুধা ও শক্তির ভয়ে দেবতারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তারা দেবী সরস্বতীর সাহায্য চাইলে, কুম্ভকর্ণ যখন ব্রহ্মার কাছে বর প্রার্থনা করছিলেন, তখন সরস্বতী তার জিহ্বায় অবস্থান করেন। ফলে ‘ইন্দুসন’ (সিংহাসন) চাইতে গিয়ে তিনি ভুলবশত ‘নিদ্রাসন’ চেয়ে বসেন।
ব্রহ্মা তথাস্তু বলায় কুম্ভকর্ণ বছরে ছয় মাস গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকার বর পান। একবার ঘুমিয়ে পড়লে কোনোভাবেই তাকে জাগানো সম্ভব হতো না। অকাল নিদ্রার কারণে রাম-রাবণের যুদ্ধেও তিনি সময়মতো অংশ নিতে পারেননি।
এই পৌরাণিক ঘটনা থেকেই যারা অতিশয় অলস বা দীর্ঘ সময় ধরে ঘুমায়, তাদের ক্ষেত্রে ‘কুম্ভকর্ণের ঘুম’ প্রবাদটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
আমাদের কন্টেন্টগুলো নিয়মিত পেতে businesstoday24.com ফলো করুন এবং আপনার মন্তব্য জানান।