উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় সভায় সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন
- ড্রেনে পলিথিন ও হকারদের ফেলা বর্জ্য পানি চলাচলে বড় বাধা
- তাৎক্ষণিক জরিমানা ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ
বিজনেসটুডে২৪ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসনে মঙ্গলবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এক উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মেয়র আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সেবা সংস্থাগুলো একযোগে কাজ করলে চলতি বছর জলাবদ্ধতা গত বছরের তুলনায় অনেক কমবে এবং নগরবাসী ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত সুফল পাবেন।
সভায় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরীর ১,৬০০ কিলোমিটার ড্রেন এবং খালগুলো পরিষ্কার রাখার জন্য চসিক নিরলস কাজ করছে। তবে ড্রেনে পলিথিন ও হকারদের ফেলা বর্জ্য পানি চলাচলে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে নিউ মার্কেট, চকবাজার ও স্টেশন রোড এলাকায় নালাগুলো বারবার পরিষ্কার করার পরও পলিথিনে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও চসিকের ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে তাৎক্ষণিক জরিমানা ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি।
সিডিএ চেয়ারম্যান মো. নুরুল করিম সভায় জানান, সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত জলাবদ্ধতা নিরসন মেগা প্রকল্পের ৯৫ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। অবশিষ্ট ৫ শতাংশ কাজ বিশেষ করে হিজড়া খাল ও জামালখান খালের অংশগুলো দ্রুত শেষ করার প্রক্রিয়া চলছে।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী পাহাড় ধস রোধ এবং নালা-খালের মধ্য দিয়ে যাওয়া ইউটিলিটি পাইপলাইনগুলো দ্রুত অপসারণের ওপর জোর দেন।
নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে মেয়র জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন। তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দেন যে, বর্ষার আগেই প্রতিটি এলাকায় ভাঙা স্ল্যাব মেরামত এবং যেখানে সুরক্ষা দেয়াল নেই সেখানে অস্থায়ী বেষ্টনী তৈরি করতে হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দক্ষিণ হালিশহর ও নয়ারহাট এলাকায় স্লুইস গেটগুলোর কাজ বর্ষার আগে শেষ করার তাগিদ দেওয়া হয়।
সভায় চসিক, সিডিএ, ওয়াসা, পিডিবি এবং সিএমপির প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে মেয়রের নির্দেশনার আলোকে নিজ নিজ সংস্থার পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
ভিজিট করুন www.businesstoday24.com এবং আপনার মন্তব্য জানান।









