Home আকাশপথ এভিয়েশন খাতে ঐতিহাসিক রেকর্ড: ২০২৬ সালে ১ ট্রিলিয়ন ডলার আয়ের পূর্বাভাস

এভিয়েশন খাতে ঐতিহাসিক রেকর্ড: ২০২৬ সালে ১ ট্রিলিয়ন ডলার আয়ের পূর্বাভাস

এভিয়েশন ডেস্ক:  বৈশ্বিক এভিয়েশন খাত ২০২৬ সালে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করতে চলেছে। আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (IATA) আজ প্রকাশিত তাদের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই বছর প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক এভিয়েশন শিল্পের মোট রাজস্ব ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
এই অভূতপূর্ব প্রবৃদ্ধি মূলত বিশ্বজুড়ে যাত্রী চাহিদার ৪.৯% উল্লম্ফনের ফল, যা কোভিড-১৯ পরবর্তী পুনরুদ্ধারের ধারাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
আইএটিএ-এর তথ্য অনুযায়ী, বিমান ভ্রমণ পুনরায় মানুষের জীবনে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। ব্যবসায়িক ভ্রমণ এবং পর্যটন উভয় খাতেই চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে এয়ারলাইনসগুলো তাদের পরিষেবা প্রসারিত করতে বাধ্য হচ্ছে।
নতুন রুটে ফ্লাইট চালু, বিদ্যমান রুটে ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এই প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।
আইএটিএ-এর মহাপরিচালক উইলি ওয়ালশ এই প্রসঙ্গে বলেন, “এভিয়েশন খাত কেবল বৈশ্বিক অর্থনীতির মেরুদণ্ডই নয়, এটি মানুষের স্বপ্ন এবং আকাঙ্ক্ষারও প্রতীক। ১ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক কেবল একটি সংখ্যা নয়, এটি স্থিতিস্থাপকতা, উদ্ভাবন এবং অবিরাম প্রচেষ্টার ফল। আমরা দেখছি, মানুষ আবারও অবাধে ভ্রমণ করতে চাইছে, এবং এয়ারলাইনসগুলো সেই চাহিদা পূরণে সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত।”
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জ্বালানি তেলের মূল্য স্থিতিশীল থাকা, অপারেটিং খরচ ব্যবস্থাপনার উন্নতি এবং ডিজিটাল রূপান্তর এই শিল্পের প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক হচ্ছে। যদিও সাপ্লাই চেইন সংকট এবং নতুন বিমানের ডেলিভারি বিলম্ব এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে, তবে সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে।
এই পূর্বাভাস বৈশ্বিক অর্থনীতিতে এভিয়েশন খাতের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকে পুনরায় তুলে ধরেছে এবং আগামী বছরগুলোতে আরও বড় সাফল্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে।