আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভবিষ্যতের খাদ্য সংকট মোকাবিলায় ল্যাবরেটরিতে কৃত্রিমভাবে মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনের প্রযুক্তি এখন আর কেবল কল্পনা নয়। বিশেষ করে “তারা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ল্যাবে নিরাপদ বিকল্প খাবার তৈরিতে বিশ্বে নেতৃত্ব দিচ্ছে”—চীনের এই অগ্রগতি বর্তমানে বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
ল্যাবে তৈরি খাবার: গুজব বনাম বাস্তবতা: ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ‘প্লাস্টিক ডিম’ বা ‘রাসায়নিক মাছের’ বিষয়টি মূলত বিভ্রান্তিকর এবং ভিত্তিহীন। বরং চীন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন এবং প্রাণীর কোষ (Cell-based) ব্যবহার করে নিরাপদ বিকল্প খাবার তৈরি করছে।
প্রতিবেদনে উঠে আসা মূল তথ্যসমূহ: কোষভিত্তিক মাংস (Cultured Meat): চীন সরকার তাদের পাঁচ বছর মেয়াদী কৃষি পরিকল্পনায় ল্যাবে তৈরি মাংসকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এটি প্রাণীর কোষ থেকে ল্যাবে বড় করা হয়, যা শতভাগ আসল মাংসের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন।

উদ্ভিজ্জ ডিম ও মাছ: সয়াবিন, মুগ ডাল বা মটরশুঁটির প্রোটিন ব্যবহার করে নিরামিষাশীদের জন্য উচ্চমানের বিকল্প ডিম ও মাছ তৈরি হচ্ছে।
পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা: এই প্রক্রিয়ায় কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় না। বরং অ্যান্টিবায়োটিক মুক্ত এবং দূষণমুক্ত পরিবেশে এই খাবারগুলো তৈরি হওয়ায় এগুলোকে সাধারণ মাংসের চেয়েও নিরাপদ হিসেবে দাবি করছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।

কেন এই প্রযুক্তিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে?
বিজ্ঞানীদের মতে, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং পশুপালনের ফলে পরিবেশের ওপর যে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, তা কমাতে ল্যাবে তৈরি খাবার বড় ভূমিকা রাখবে। এটি মূলত খাদ্যের অভাব মেটানো এবং পরিবেশ রক্ষার একটি আধুনিক ও উন্নত প্রচেষ্টা।











