Home পর্যটন আল্পসের কোলে এক টুকরো স্বর্গ

আল্পসের কোলে এক টুকরো স্বর্গ

বিজনেসটুডে২৪ ডেস্ক:
সুইজারল্যান্ড শুধু একটি দেশ নয়, বরং এটি পৃথিবীর বুকে এক টুকরো জীবন্ত ক্যানভাস। পর্যটকদের জন্য এটি চিরকালই স্বপ্নের গন্তব্য।
ছবি : ফেসবুক
১. পাহাড়ের চূড়ায় মেঘের খেলা (আল্পস ও জংফ্রাউজোচ)
সুইজারল্যান্ডের প্রধান আকর্ষণ হলো আল্পস পর্বতমালা। এখানকার ‘জংফ্রাউজোচ’ (Jungfraujoch) কে বলা হয় ‘টপ অফ ইউরোপ’। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১১ হাজার ফুট উঁচুতে দাঁড়িয়ে আপনি যখন চারপাশের বরফের পাহাড় দেখবেন, মনে হবে আপনি মেঘের উপরে ভাসছেন। এছাড়া মাউন্ট পিল্যাটাস এবং মাউন্ট টিটলিস পর্যটকদের রোমাঞ্চের স্বাদ দেয়।
২. হ্রদ ও নীল জলরাশি
সুইজারল্যান্ডের শহরগুলো গড়ে উঠেছে স্বচ্ছ জলের হ্রদকে কেন্দ্র করে। লেক জেনেভা, লেক লুসার্ন এবং লেক জুরিখের নীল জল আর তার পাড়ে সারি সারি ক্যাফে যেন কোনো শিল্পীর আঁকা ছবি। লেক ব্রিenz এবং লেক থুন-এর ফিরোজা রঙের জল পর্যটকদের বিমোহিত করে।
৩. ছবির মতো সুন্দর গ্রাম (ইন্টারলাকেন ও গ্রিন্ডেলওয়াল্ড)
যান্ত্রিকতা থেকে দূরে পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে লুকিয়ে আছে ছোট ছোট গ্রাম। ইন্টারলাকেন দুই হ্রদের মাঝে অবস্থিত এক প্রাকৃতিক স্বর্গ। অন্যদিকে, গ্রিন্ডেলওয়াল্ড গ্রামের কাঠের বাড়ি আর জানালার ধারে ফুটে থাকা রঙিন ফুল আপনাকে মনে করিয়ে দেবে ছোটবেলার রূপকথার গল্পের কথা।
৪. ট্রেন যাত্রা: এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা
সুইজারল্যান্ডের ট্রেন ভ্রমণ পৃথিবীর সেরা অভিজ্ঞতার একটি। বিশেষ করে গ্লেসিয়ার এক্সপ্রেস বা বার্নিনা এক্সপ্রেস। পাহাড়ের বুক চিরে, সুড়ঙ্গ আর উঁচু ব্রিজ পার হয়ে ট্রেনের জানলা দিয়ে দেখা যায় অবিশ্বাস্য সব দৃশ্য।
৫. সংস্কৃতি ও স্বাদ
সুইজারল্যান্ড মানেই বিখ্যাত সুইস চকোলেট এবং চিজ। জুরিখ বা জেনেভার রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে চকোলেটের সুবাস আপনার মন ভরিয়ে দেবে। এছাড়া সুইস ঘড়ি আর তাদের নিয়মানুবর্তিতা ভ্রমণের অভিজ্ঞতাকে করে তোলে আরও মসৃণ।
প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য
সেরা সময়: শীতকালে স্কি করার জন্য ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারি, আর সবুজ প্রকৃতি দেখতে জুন-সেপ্টেম্বর সেরা।
যাতায়াত: পুরো দেশ ভ্রমণের জন্য ‘সুইস ট্রাভেল পাস’ সবচেয়ে সুবিধাজনক।