এভিয়েশন ডেস্ক: ইরান ও ইসরাইলের মধ্যকার সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাত এবং তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘প্রি-এম্পটিভ’ বা আগাম হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ চলাচল ব্যবস্থা নজিরবিহীন বিপর্যয়ের মুখে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন ও কুয়েত: উপসাগরীয় এই দেশগুলোও নিরাপত্তার খাতিরে তাদের আকাশপথ ব্যবহারে কড়াকড়ি আরোপ করেছে।
ফ্লাইট ট্র্যাকিং সার্ভিস Flightradar24-এর মানচিত্রে দেখা গেছে, ইরান ও ইরাকের ওপর দিয়ে চলাচলকারী বিমান চলাচলের পথটি এখন পুরোপুরি ফাঁকা । বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দরগুলোর অন্যতম দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (DXB) অনির্দিষ্টকালের জন্য সব কার্যক্রম স্থগিত করেছে। এ ছাড়া:ভারত-ইউরোপ রুট: ইরানের আকাশপথ ব্যবহার করতে না পারায় দিল্লি, মুম্বাই ও বেঙ্গালুরু থেকে লন্ডন বা প্যারিসগামী ফ্লাইটগুলোর সময় ও খরচ বহুগুণ বেড়েছে। এসব ফ্লাইট এখন মধ্য এশিয়া বা আরব সাগর হয়ে দীর্ঘ পথ ঘুরে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় এয়ারলাইন্স: লুফথানসা, ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ, এয়ার ফ্রান্স এবং কেএলএম আগামী ৭ মার্চ পর্যন্ত ইসরাইল, লেবানন ও জর্ডানের ফ্লাইট বাতিল করেছে। আমেরিকার ইউনাইটেড ও ডেল্টা এয়ারলাইন্স তাদের ইসরাইলগামী ফ্লাইটগুলো এথেন্সের দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছে।
এমিরেটস ও কাতার এয়ারওয়েজ: এই অঞ্চলের প্রধান দুটি এয়ারলাইন্স তাদের কয়েকশ ফ্লাইট বাতিল করেছে এবং আকাশপথে থাকা অনেক বিমানকে যাত্রা শুরুর বিমানবন্দরে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
অপারেশনাল খরচ ও ভাড়া বৃদ্ধির আশঙ্কা: বিশেষজ্ঞদের মতে, আকাশপথ পরিবর্তনের কারণে প্রতিটি ফ্লাইটের জন্য অতিরিক্ত জ্বালানি ও বিমা খরচ বাবদ প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৬,০০০ মার্কিন ডলার বাড়তি ব্যয় হচ্ছে। এই বর্ধিত খরচ শেষ পর্যন্ত টিকিটের দাম বাড়িয়ে সাধারণ যাত্রীদের ওপর প্রভাব ফেলবে।
আরও নিয়মিত আপডেট পেতে businesstoday24.com ফলো করুন এবং আপনার মূল্যবান মন্তব্য আমাদের জানান।










