Home Third Lead কাটল আইনি জট: বিএসএএ-র দায়িত্ব নিল সালাহ উদ্দিন-আজিম-আকবর পর্ষদ

কাটল আইনি জট: বিএসএএ-র দায়িত্ব নিল সালাহ উদ্দিন-আজিম-আকবর পর্ষদ

বিজনেসটুডে২৪ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম: দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশনের (বিএসএএ) ২০২৫–২০২৭ মেয়াদের নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে সর্বশেষ আবেদনটি প্রত্যাহার করে নেওয়ায় নতুন পর্ষদের দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার পথে আর কোনো বাধা অবশিষ্ট থাকেনি।
বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালার ২৫ ধারা এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ২০ এপ্রিল নির্বাচন বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করার পর একই দিন বিকেলে বিদায়ী কমিটির কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেন নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ।
নির্বাচন বোর্ডের বিজ্ঞপ্তির পর এখন থেকে বিএসএএ-এর কার্যক্রম পরিচালনার পূর্ণ এখতিয়ার পেল নতুন এই পরিচালনা পর্ষদ। দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরগুলোর কার্যক্রমে গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক শিপিং বাণিজ্যে দেশীয় ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নিরলস কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তরা।
দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের অন্যতম চালিকাশক্তি এই সংগঠনের অচলাবস্থা কাটায় সংশ্লিষ্ট মহলে স্বস্তি ফিরেছে।
নতুন এই পর্ষদে চেয়ারম্যান হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন নাফ মেরিন সার্ভিসেসের ক্যাপ্টেন মো. সালাহ উদ্দিন চৌধুরী। এছাড়া সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আজিম রহিম চৌধুরী (কে এম সি শিপিং লাইন) এবং মো. আলি আকবর (সেভেন সীস শিপিং লাইনস)। ভাইস চেয়ারম্যানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আল আজাদ ও মোহাম্মদ মশিউল আলম।
পরিচালনা পর্ষদের জেনারেল ক্যাটাগরিতে ১৩ জন পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আলী, অঞ্জন মজুমদার, মোহাম্মদ শাফিউল আলম, নূর উন নবী, এসএম. আনামুল করিম, মোহাম্মদ দিদারুল আলম চৌধুরী, মোহাম্মদ আবদুল কুদ্দুস, মো. আনোয়ার হোসেন খান (হাসান), এ. টি. এম. জাহিরুল ইসলাম, কাজী মনসুর উদ্দিন, সারফরাজ কাদের, মো. আনোয়ারুল কবির কামরুল এবং আকিব হাসনাত।
অন্যদিকে এসোসিয়েট ক্যাটাগরি থেকে ৬ জন প্রতিনিধি হিসেবে কমিটিতে স্থান পেয়েছেন মাসুদ আহমেদ, মোহাম্মদ শাহিন, মো. হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী, ফরহাদ আলম চৌধুরী, মুয়াম্মার আহমদ ও মো. মনসুর আলী।
শিপিং খাতের এই নতুন নেতৃত্ব বন্দরের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আধুনিকায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।