বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের জন্য বেসরকারি এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করেছে। আজ ২ এপ্রিল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি কেজি এলপিজির দাম মূসকসহ ১৪৪.০৪ টাকায় সমন্বয় করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী, বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম এখন থেকে ১,৭২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিইআরসির তথ্যমতে, সৌদি আরামকো কর্তৃক ঘোষিত এপ্রিল মাসের প্রোপেন ও বিউটেনের গড় সৌদি সিপি (Saudi CP) প্রতি মেট্রিক টন ৭৮২.৫০ মার্কিন ডলার এবং ডলারের বিনিময় হার ১২২.৯৪ টাকা বিবেচনায় নিয়ে এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
পাশাপাশি রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে সরবরাহকৃত এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১৪০.২৯ টাকা এবং অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৭৯.৭৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সরকারি এলপিজির ১২.৫০ কেজি সিলিন্ডারের দাম আগের মতোই ৫৯১.৯৩ টাকা অপরিবর্তিত থাকবে।
নতুন এই দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকেই কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেক সাধারণ ক্রেতা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দিয়ে দাম বাড়ানো হলেও যখন আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমে, তখন তার সুফল সাধারণ মানুষ পায় না।
বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য ১,৭২৮ টাকা দিয়ে একটি সিলিন্ডার কেনা বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক ক্রেতার অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত মূল্যে অনেক সময় বাজারে গ্যাস পাওয়া যায় না, খুচরা বিক্রেতারা পরিবহন খরচ বা সংকটের অজুহাতে আরও বেশি দাম আদায় করেন।
বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং বিইআরসি নির্ধারিত দাম কার্যকর করতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সঠিক তদারকি না থাকলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে না।
আমাদের এই প্রতিবেদনটি সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মতামত জানান এবং নিয়মিত আপডেট পেতে businesstoday24.com ফলো করুন। আপনার এলাকায় কত দামে গ্যাস বিক্রি হচ্ছে তা আমাদের কমেন্টে জানাতে পারেন।