বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ, যার বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার সরাসরি ম্যাচ বেটিংয়ে জড়িত ছিলেন বলে প্রমাণ পেয়েছে বোর্ড।
এছাড়া টিম ম্যানেজার মো. লবলুর রহমান ও রেজওয়ান কবির সিদ্দিকীর বিরুদ্ধেও তথ্য গোপন এবং স্কোর নিয়ে জুয়ায় লিপ্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। অভিযুক্ত এই চার ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, বড় শাস্তির মুখে পড়েছেন সামিনুর রহমান। বিপিএলের ৯ম থেকে ১১তম আসর পর্যন্ত নিয়মিতভাবে খেলোয়াড় ও এজেন্টদের ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক জুয়াড়িদের সাথে যোগাযোগ রাখার দায়ে তাকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সামিনুর নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় বিসিবি তাকে আজীবনের জন্য দেশের ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকাণ্ড থেকে সরিয়ে দিয়েছে। ক্রিকেটের পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি বজায় রাখতেই বোর্ড এমন কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও এমন খবরের জন্য businesstoday24.com ফলো করুন এবং আপনার মূল্যবান মন্তব্য নিচে শেয়ার করুন।