Home স্বাস্থ্য শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ জিংক: ঘাটতি কি না বুঝবেন যে লক্ষণে

শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ জিংক: ঘাটতি কি না বুঝবেন যে লক্ষণে

হেলথ ডেস্ক: আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলগুলোর মধ্যে জিংককে প্রায়ই অবহেলা করা হয়। অথচ ক্যালসিয়ামের পর জিংকই শরীরের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ খনিজ। বিপাক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো, ক্ষত নিরাময় এবং কোষের বৃদ্ধিতে জিংক অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
শরীর নিজে থেকে এই মিনারেল তৈরি করতে পারে না। তাই খাবার বা সাপ্লিমেন্টের মাধ্যমেই এর চাহিদা পূরণ করতে হয়। জিংকের অভাবে গুরুতর সংক্রমণ, প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস এমনকি শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার মতো ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে প্রবীণ ব্যক্তি, নিরামিষভোজী এবং হজমের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে জিংকের অভাব হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
তবে মনে রাখা জরুরি যে, প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত জিংক গ্রহণ শরীরের জন্য বিষাক্ত হতে পারে। এর ফলে বমি বমি ভাব, বমি এবং মাথাব্যথার মতো সমস্যা হতে পারে। তাই যেকোনো সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।
নিচে জিংকের ঘাটতির একটি অন্যতম প্রধান লক্ষণ বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
ক্ষত নিরাময়ে দীর্ঘসূত্রতা
জিংকের অভাবের অন্যতম সাধারণ লক্ষণ হলো শরীরের কোনো ক্ষত শুকাতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় নেওয়া। এটি মূলত বয়স্কদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষত নিরাময়ের প্রতিটি ধাপে জিংক সরাসরি কাজ করে।
  • রক্ত জমাট বাঁধা: জিংক প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকার কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে, যা রক্ত জমাট বাঁধার জন্য অপরিহার্য।
  • প্রদাহ কমানো: ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু বা কলার প্রদাহ কমাতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে।
  • ত্বক পুনর্গঠন: ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ সরিয়ে নতুন স্তর তৈরি এবং ক্ষতের জায়গাটি দ্রুত ভরাট করতে জিংক সাহায্য করে।
  • কোষ সুরক্ষা: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণাবলি থাকায় এটি ক্ষত নিরাময়ের সময় শরীরের কোষগুলোকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
শরীরের কোনো কাটা বা ছড়া অংশ দ্রুত শুকানো অত্যন্ত জরুরি, কারণ খোলা ক্ষত দিয়ে জীবাণু রক্তে প্রবেশ করে বড় ধরনের সংক্রমণ ঘটাতে পারে। চিকিৎসকরা অনেক সময় ক্ষত দ্রুত সারিয়ে তুলতে জিংক সালফেট ক্রিম ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
ভিজিট করুন www.businesstoday24.com