বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, যা পাকিস্তান সরকারের মধ্যস্থতায় সম্ভব হয়েছে। ট্রাম্প জানান, তিনি এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে পারেন, তবে পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে তা হয়তো প্রয়োজন হবে না। এছাড়া, ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে সরে আসতে রাজি হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, নতুন ইরানি নেতৃত্বের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক আগের তুলনায় অনেক ভালো এবং এটি একটি ইতিবাচক পরিবর্তন।
পাকিস্তান ও ইরানের মধ্যকার কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। অসীম মুনীর বর্তমানে তেহরান সফর করছেন এবং পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। গত ১১-১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনার পর পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিকভাবে সমর্থন আদায়ে সচেষ্ট রয়েছে। দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ব্রিটেন, চীন, তুরস্ক, সৌদি আরব ও মিশরের মতো গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছেন।
সব পক্ষ যুদ্ধবিরতি বজায় রাখবে এবং আলোচনার মাধ্যমেই সংকট সমাধান হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছে পাকিস্তান। আগামী ২২ এপ্রিলের মধ্যে দ্বিতীয় দফা রাজনৈতিক আলোচনার পথ প্রশস্ত করতে বা যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে কাজ করছেন সংশ্লিষ্টরা। যদি কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত না হয়, তবে পুনরায় সংঘাত শুরু হতে পারে বলেও সতর্কবার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
businesstoday24.com ফলো করুন ও আপনার মূল্যবান মন্তব্য জানান।