পেট্রোবাংলার অপারেশন অ্যান্ড মাইনস পরিচালক প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম জানান, চলতি এপ্রিল মাসে মোট নয়টি কার্গো আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে চারটি ইতিমধ্যেই দেশে পৌঁছেছে। মে মাসে আমদানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১১টি কার্গো। এর মধ্যে সাতটি কার্গো নিশ্চিত করা হয়েছে এবং বাকি চারটি কেনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের চালানগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র এবং অ্যাঙ্গোলা থেকে এলএনজি আনা হচ্ছে। মে মাসের জন্য নির্ধারিত সাতটি কার্গোর মধ্যে পাঁচটি স্পট মার্কেট থেকে এবং দুটি দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির আওতায় সংগ্রহ করা হবে।
অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন কমে আসায় আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির উচ্চমূল্য দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. বদরুল ইমাম জানান, বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানির দাম বাড়ছে। এই চাপ কমাতে তিনি যুক্তরাষ্ট্র বা অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি ভৌগোলিকভাকে নিকটবর্তী দেশ যেমন ইন্দোনেশিয়া বা মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আমদানির পরামর্শ দেন। তার মতে, এসব দেশের সাথে শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক থাকায় বিকল্প উৎস হিসেবে তারা সাশ্রয়ী হতে পারে।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার ভর্তুকি প্রদান করে সরবরাহ ব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে শিল্প ও গৃহস্থালি খাতে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে।
আরও তথ্যের জন্য businesstoday24.com ফলো করুন