বিজনেসটুডে২৪ প্রতিনিধি, ঢাকা: বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) দেশের জ্বালানি তেলের বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও অযৌক্তিক আতঙ্ক দূর করতে একটি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে। বিশ্ববাজারের অস্থিরতার মধ্যেও দেশে জ্বালানির পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিপিসি স্পষ্ট করেছে যে, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানি করতে হয়। বর্তমানে আন্তর্জাতিক সংকটের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থায় সাময়িক জটিলতা সৃষ্টি হলেও নিয়মিতভাবে জ্বালানি তেল দেশে আনা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ডিলার ও ভোক্তাদের মধ্যে অযথা তেল মজুত করার প্রবণতা রোধ করতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
এখন থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে গাড়ির ধরন অনুযায়ী জ্বালানি তেলের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। মোটরসাইকেলের জন্য সর্বোচ্চ ২ লিটার, প্রাইভেটকারের জন্য ১০ লিটার, এসইউভি/জিপ/মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ/লোকাল বাসের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস/ট্রাক/কাভার্ডভ্যান/কন্টেইনার ট্রাকের জন্য ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বরাদ্দ করা হয়েছে।
ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি নেওয়ার সময় ক্রেতাকে অবশ্যই ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে রসিদ নিতে হবে। পরবর্তীবার তেল নেওয়ার সময় আগের রসিদের মূল কপি জমা দিতে হবে।
এছাড়া, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম নেওয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং বর্তমানে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কোনো সিদ্ধান্ত সরকার নেয়নি বলেও জানানো হয়েছে।
সব ডিলার ও ভোক্তাদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে, যাতে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়।
businesstoday24.com এভাবে ফলো করুন ও মন্তব্য করুন।