চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে আবারও মানবসভ্যতার পদচিহ্ন আঁকতে নাসার ঐতিহাসিক ‘আর্টেমিস ৩’ মিশনের প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। অ্যাপোলো অভিযানের অর্ধশতাব্দী পর এই প্রথম কোনো নভোচারী চাঁদের মাটিতে পা রাখতে যাচ্ছেন। এই মিশনকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞান ও মহাকাশপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।
নাসার প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, চাঁদের তীব্র প্রতিকূল পরিবেশ ও চরম ঠান্ডা থেকে নভোচারীদের সুরক্ষায় তৈরি করা হচ্ছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির নেক্সট-জেনারেশন স্পেস স্যুট। এই বিশেষ স্যুটগুলো আগের চেয়ে অনেক বেশি নমনীয়, যা নভোচারীদের চাঁদের রুক্ষ মাটিতে সহজে হাঁটাচলা ও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে আর্টেমিস ৩ মিশনের জন্য ব্যবহৃত মহাকাশযান এবং ল্যান্ডিং সিস্টেমের কারিগরি ত্রুটিগুলো দূর করে সেটিকে মহাকাশে পাঠানোর জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত করা হচ্ছে।
এই অভিযানের মূল লক্ষ্য কেবল চাঁদে পৌঁছানো নয়, বরং সেখানে একটি স্থায়ী মানব বসতি স্থাপনের ভিত্তি তৈরি করা। আর্টেমিস ৩ মিশনের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কোনো নারী এবং কৃষ্ণাঙ্গ নভোচারী চাঁদের বুকে ইতিহাস রচনা করবেন।
চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে জমে থাকা বরফ এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের সন্ধান করাই হবে এই অভিযানের অন্যতম প্রধান কাজ, যা ভবিষ্যতের দীর্ঘমেয়াদি মঙ্গল মিশনের জন্য জ্বালানি ও পানির উৎস হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মহাকাশ বিজ্ঞানের এমন সব রোমাঞ্চকর এবং সর্বশেষ খবরের আপডেট পেতে নিয়মিত ভিজিট করুন www.businesstoday24.com।