চলতি বছরের ৩ মে জনজাতি দাঙ্গা শুরু হয় ভারতের মণিপুর রাজ্যে, কুকি ও মেইতেই জনগোষ্ঠীর মধ্যে। রক্তক্ষয়ী দাঙ্গার পর, গত দু মাস যাবত বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা ঘটছে এই রাজ্যে। মে মাস থেকে দফায় দফায় সংঘর্ষে ১৮২ জন নিহত হন। বাড়িছাড়া প্রায় ৫০ হাজার পরিবার।
ডিসেম্বর মাসের শুরুতেই হিংসা, হত্যার ঘটনা ঘটল মণিপুরে। রাজ্যের তেঙ্গনউপাল জেলার সাইবল থানার লিথু গ্রামে সোমবার ৪ ডিসেম্বর দুপুরে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ১৩ জন খুন হন। গত এক মাসের বেশি সময় রাজ্যে বড় ধরনের অশান্তির ঘটনা ঘটেনি। স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছিল মণিপুর। সোমবারের হত্যাকাণ্ডের পর আবার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে পুলিশ ও আধা সেনার ছাউনিতে ভারতীয় সময় দুপুরে সংঘর্ষের খবর যায়। নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে ১৩টি দেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, দেহগুলির কাছে কোনও অস্ত্র পাওয়া যায়নি। মনে করা হচ্ছে, নিহতরা বহিরাগত। পুলিশ নিহতদের পরিচয় জানাতে চায়নি।
সোমবার ভারতের উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে সামান্য কিছু এলাকা বাদে সর্বত্র ইন্টারনেট পরিষেবা ফেরে। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় রাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তারপরেই ঘটল বড় সংঘর্ষের ঘটনা। নিরাপত্তা বাহিনী এবং প্রশাসন সূত্রে খবর, হিংসা ফের ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সুত্র: ভয়েস অব আমেরিকা










