হেলথ ডেস্ক: শুরু হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতার ও সেহরিতে সঠিক খাদ্য নির্বাচন এবং জীবনযাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন আনলে শরীর সুস্থ রাখা সম্ভব। পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকদের মতে, রমজানে ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলাই উত্তম।
সুস্থভাবে রোজা পালনের জন্য বিশেষজ্ঞগণ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন:
সেহরিতে জটিল শর্করা ও আশযুক্ত খাবার: সেহরিতে এমন খাবার নির্বাচন করা উচিত যা দেরিতে হজম হয় এবং দীর্ঘক্ষণ শক্তি জোগায়। লাল চালের ভাত, ওটস, রুটি, ডাল ও প্রচুর পরিমাণে সবজি সেহরির জন্য আদর্শ। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ক্ষুধা কম অনুভূত হতে দেয়।
ইফতারে পানিশূন্যতা রোধ: সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। ইফতারে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত শরবতের পরিবর্তে ডাবের পানি, তাজা ফলের রস বা লেবুর শরবত পান করা উপকারী। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করার চেষ্টা করুন।
ভাজাপোড়া খাবার পরিহার: প্রথাগত ইফতারি যেমন—পেঁয়াজু, বেগুনি বা চপ অতিরিক্ত তেলে ভাজা হওয়ার কারণে অ্যাসিডিটি ও বদহজমের কারণ হতে পারে। এর পরিবর্তে খেজুর, দই-চিঁড়া এবং বিভিন্ন মৌসুমি ফল খাওয়ার অভ্যাস করুন।
পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম
রোজার সময় ঘুমের রুটিনে কিছুটা পরিবর্তন আসে। শরীরকে সতেজ রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অটুট রাখতে রাতে অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা নিরবিচ্ছিন্ন ঘুম নিশ্চিত করা জরুরি।
দীর্ঘমেয়াদী রোগীদের সতর্কতা
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের রোজা রাখার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধের সময় ও মাত্রা ঠিক করে নিতে হবে।
সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং সচেতনতাই পারে রমজানে আপনাকে কর্মক্ষম ও সুস্থ রাখতে।
businesstoday24.com-কে ফলো করুন এবং আপনার মূল্যবান মন্তব্য আমাদের জানান।